মেয়েটি অনেকক্ষণ ধরে রিকশাচালক ছেলেটির পাশে দাঁড়িয়ে তাকে বোঝাচ্ছিল বাসায় ফিরে যেতে। হয়তো ছেলেটি অসুস্থ ছিল, তবুও সে কাজের জন্য আবার রিকশা চালাতে চাইছিল। কিন্তু মেয়েটি তাকে একা ছেড়ে যায়নি, লজ্জা বা সংকোচ না করে রাস্তায় দাঁড়িয়েই তার সঙ্গে কথা বলেছে, বুঝিয়েছে, যত্ন নিয়েছে। আজকের সময়ে যেখানে অনেক সম্পর্ক বাহ্যিকতা আর সামাজিক অবস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, সেখানে এই দৃশ্যটি ভালোবাসার এক অসাধারণ উদাহরণ হয়ে উঠেছে। ছেলেটি রিকশা চালায়, তাতে মেয়েটির কোনো লজ্জা নেই; বরং তার চোখে ছিল সম্মান, ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধ। এই ছোট্ট মুহূর্তটাই এখন সামাজিক মাধ্যমে মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে, কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা ঠিক এমনই নিঃস্বার্থ, সরল আর সম্মানের হয়।
আর এই আন্তরিক মুহূর্তটিই নীরবে ছুঁয়ে গেছে হাজারো মানুষের হৃদয়।

বর্তমানের প্রদর্শনমূলক ভালোবাসার আড়ালেও লুকিয়ে থাকে কিছু নীরব বাস্তবতা, যা ধরা পড়ে না ক্যামেরার ফ্রেমে
মাহ্দী হাসান 
























