ঢাকা , সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় বিস্তৃত সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo ঋণ পরিশোধ ও ভর্তুকি খাতে অধিক ব্যয়ে আর্থিক চাপ আরও বাড়ছে Logo জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি Logo ‎ফরিদপুরে গুজব ছড়িয়ে ট্রাক চালককে হত্যা গ্রেফতার ১ Logo রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কাজুবাদাম চাষে মিলেছে সফলতা Logo অটোমেশন সিস্টেমে আধুনিক হচ্ছে ভূমি সেবা কার্যক্রম, কমছে ভোগান্তি ও দালাল Logo ঢাকার জরুরি পানি সরবরাহ জোরদারে ৯২০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার Logo বন্ধ থাকা ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রীর Logo প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় পিএইচডি ফেলোশিপে আবেদন কার্যক্রম শুরু Logo পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে নৌ ও সড়ক খাতে সমন্বয়ের তাগিদ: সেতুমন্ত্রীর
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় বিস্তৃত সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’ দুই দেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছি।

 

 

আজ (সোমবার) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের দ্বিতীয় পর্যায়ের লঞ্চিং এবং এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সুযোগ থাকছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে।’

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৬টি বেসরকারি এবং ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, পাকিস্তান থেকেও শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসবে।

তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জয়েন্ট কোলাবরেশন এবং শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন।

শিক্ষাবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের সিলেকশন মেথড বা পদ্ধতিটি চমৎকার। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের মন্ত্রণালয় এই পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব ধরনের সহায়তা দেবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় বিস্তৃত সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় বিস্তৃত সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ৩ মিনিট আগে

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’ দুই দেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছি।

 

 

আজ (সোমবার) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের দ্বিতীয় পর্যায়ের লঞ্চিং এবং এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সুযোগ থাকছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে।’

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৬টি বেসরকারি এবং ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, পাকিস্তান থেকেও শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসবে।

তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জয়েন্ট কোলাবরেশন এবং শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন।

শিক্ষাবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের সিলেকশন মেথড বা পদ্ধতিটি চমৎকার। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের মন্ত্রণালয় এই পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব ধরনের সহায়তা দেবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।