ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এলএনজি, বিদ্যুৎ ও সয়াবিন তেলসহ ১০ প্রস্তাব পাস, খরচ হবে হাজার কোটি টাকা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ওয়াকফ প্রশাসক Logo সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন অনন্ত জলিল Logo বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১২ জনের Logo বায়ার্নকে হারিয়ে ফাইনালে উঠল পিএসজি Logo যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবে ইরানের উত্তর ঘিরে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল Logo ঢাকা-এ বাড়ছে দূষণ ও তাপমাত্রা: এখনই সতর্ক না হলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা Logo সোনার দামে ফের ঊর্ধ্বগতি, ভরিপ্রতি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকার ওপরে Logo দেশজুড়ে দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে Logo যুক্তরাষ্ট্রে শেষ বিদায় সম্পন্ন হলো বৃষ্টির, শনিবার দেশে আনা হবে মরদেহ
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় আগের মতোই কোনো উৎসে কর প্রযোজ্য হবে না।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের পক্ষ থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও প্রজ্ঞাপনের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তাহলে সেই বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এই সীমার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর কাটার কোনো সুযোগ নেই।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আরও ছাড়ের কথা উল্লেখ করেছে এনবিআর। চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে যদি শুধু পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে তার মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। এর মানে, এ ধরনের বিনিয়োগ থেকে আয় হলে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।

তবে পাঁচ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করলে করের হার বাড়বে। আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১০৫-এর বরাত দিয়ে এনবিআর জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে, সেই মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রযোজ্য হবে।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়। জানুয়ারি মাস থেকে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও বিনিয়োগকারীদের আলোচনায় আসে। এনবিআরের এই চিঠিকে সেই বিভ্রান্তি দূর করার স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীদের জন্য নির্ধারিত হলেও অন্য তিন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই বিনিয়োগ করতে পারেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এলএনজি, বিদ্যুৎ ও সয়াবিন তেলসহ ১০ প্রস্তাব পাস, খরচ হবে হাজার কোটি টাকা

সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই

আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় আগের মতোই কোনো উৎসে কর প্রযোজ্য হবে না।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের পক্ষ থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও প্রজ্ঞাপনের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তাহলে সেই বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এই সীমার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর কাটার কোনো সুযোগ নেই।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আরও ছাড়ের কথা উল্লেখ করেছে এনবিআর। চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে যদি শুধু পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে তার মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। এর মানে, এ ধরনের বিনিয়োগ থেকে আয় হলে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।

তবে পাঁচ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করলে করের হার বাড়বে। আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১০৫-এর বরাত দিয়ে এনবিআর জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে, সেই মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রযোজ্য হবে।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়। জানুয়ারি মাস থেকে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও বিনিয়োগকারীদের আলোচনায় আসে। এনবিআরের এই চিঠিকে সেই বিভ্রান্তি দূর করার স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীদের জন্য নির্ধারিত হলেও অন্য তিন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই বিনিয়োগ করতে পারেন।