ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী সফরে যাবেন: প্রধানমন্ত্রী Logo শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায়: রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল Logo শপথ নিলেন এনসিপির নেত্রী: নুসরাত তাবাসসুম Logo বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়লো ‘সুপার মারিও’ সিনেমা Logo রাত পর্যন্ত চালু থাকবে মেট্রোরেল, সময় বাড়ানোর পাশাপাশি কমানো হচ্ছে ট্রেনের ব্যবধান Logo যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নানা অপরাধে জড়িত ২৪ জন আটক Logo রানা প্লাজা হত্যা মামলার বিচারে ১৩ বছরের দেরি, দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রসিকিউশন Logo প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল Logo ১১ বছরের এক শিশুকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ Logo রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অপরাধমুক্ত পরিবেশ গড়তে কাজ করছে পুলিশ
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায়: রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।

এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী সফরে যাবেন: প্রধানমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায়: রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।

এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।