ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রিপোর্টার্স ক্লাব ফরিদপুরের সভা অনুষ্ঠিত Logo উত্তরায় নারী ধর্ষণের খবরটি গুজব, ভাইরাল পোস্টের কোনো ভিত্তি নেই Logo সিলেটে অপরাধ জগতের অন্তরালে বাপ্পির ভয়ংকর ফাঁদ, স্বস্থি ফিরে পেয়েছে তোপখানাবাসী Logo সিলেটে ঈদকে টার্গেট করে জাল নোট চক্র বাজার জাত করণে ৩ সদস্য সক্রিয় Logo সিলেটের গোলাপগঞ্জ ঢাকাদক্ষিণ ডাক বাংলা পুকুর ভরাটের অভিযোগ, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য Logo ত্যাগের মহিমা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সচেতনতার ঈদ Logo সাতক্ষীরায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল ফেন্সিডিলের চালান Logo নতুন গানে সাড়া ফেলেছেন নুসরাত ফারিয়া Logo প্রান্তিক খামারিদের বছরে সবচেয়ে বড় আয়ের খাত কোরবানির পশু পালন: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Logo ছয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

ব্রেন টিউমারের কারণ, উপসর্গ ও সতর্ক সংকেত

ব্রেন টিউমার কি

মস্তিষ্কের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্রেনে টিউমার বলা হয়। টিউমার ক্ষতিকর (বিনাইন) নাও হতে পারে বা ক্যান্সারপ্রবণ (ম্যালিগন্যান্ট) হতে পারে। মস্তিষ্কের ভেতরে যে ব্রেন টিউমার গঠিত হয় তাকে প্রাথমিক বা প্রাইমারি ব্রেন টিউমার বলা হয়। শরীরের অন্যত্র যদি এমন টিউমার গঠিত হয় যার মূলে আছে ক্যান্সার তা মস্তিষ্কে ছড়িয়ে গেলে তখন তাকে সেকেন্ডারি বা মেটাস্ট্যাটিক ব্রেন টিউমার বলা হয়। ব্রেন টিউমার-এর চিহ্ন এবং উপসর্গের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে যেমন টিউমারের আয়তন, টিউমার আকারে বড় হয়ে ওঠার হার এবং কোনো এলাকায় টিউমারটি হয়েছে সেই অবস্থান। কিছু আদি এবং সাধারণ উপসর্গ হলো মাথাধরার রকমফের, মাঝেমাঝেই এবং অসহ্য মাথা যন্ত্রণা, কথা বলার সমস্যা, এবং ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়া। ব্রেন টিউমার-এর চিকিৎসা নির্ভর করে সেটি কোনো ধরনের টিউমার এবং তার আকার এবং তার অবস্থানের এলাকার ওপর।

ব্রেন টিউমার রোগের প্রাথমিক উপসর্গ বা লক্ষণ-

ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ মাথাব্যথা ও চোখে ঝাপসা দেখা। তবে মাথাব্যথা মানেই ব্রেন টিউমার নয়। সাধারণত মাথাব্যথার ১ শতাংশেরও কম কারণ হলো ব্রেন টিউমার। ব্রেন টিউমারের জন্য যে মাথাব্যথা হয়, তা সাধারণত খুব ভোরে শুরু হয়। সঙ্গে খিঁচুনি হতে পারে। খিঁচুনি সাধারণত হাতে বা পায়ে বা অন্য কোনো স্থান থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই মাথাব্যথা কিছুতেই যেতে চায় না। মস্তিষ্কের ভেতর পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে টিউমার হলে রোগীর দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। রোগী সামনের অংশটুকু ভালো দেখতে পেলেও দুপাশে দেখতে পান না এবং একপর্যায়ে অন্ধ হয়ে যান। ব্রেনের সামনের অংশে বা ফ্রন্টাল লোবে টিউমার হলে রোগীর স্মৃতিশক্তি কমে যায়। তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করেন। দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। মটর এরিয়ায় টিউমার হলে যেদিকে টিউমার তার উল্টো দিকে প্যারালাইসিস হয়ে থাকে। মস্তিষ্কের খুলির নিচের প্রকোষ্ঠে টিউমার হলে রোগী হাঁটতে গেলে পড়ে যান বা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। কানে ঠিকমতো শোনেন না। কথা স্পষ্ট করে বলতে পারেন না। টিউমার বেশি বড় হয়ে গেলে রোগীর হঠাৎ মৃত্যুও হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রিপোর্টার্স ক্লাব ফরিদপুরের সভা অনুষ্ঠিত

ব্রেন টিউমারের কারণ, উপসর্গ ও সতর্ক সংকেত

আপডেট সময় ১১ ঘন্টা আগে

ব্রেন টিউমার কি

মস্তিষ্কের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্রেনে টিউমার বলা হয়। টিউমার ক্ষতিকর (বিনাইন) নাও হতে পারে বা ক্যান্সারপ্রবণ (ম্যালিগন্যান্ট) হতে পারে। মস্তিষ্কের ভেতরে যে ব্রেন টিউমার গঠিত হয় তাকে প্রাথমিক বা প্রাইমারি ব্রেন টিউমার বলা হয়। শরীরের অন্যত্র যদি এমন টিউমার গঠিত হয় যার মূলে আছে ক্যান্সার তা মস্তিষ্কে ছড়িয়ে গেলে তখন তাকে সেকেন্ডারি বা মেটাস্ট্যাটিক ব্রেন টিউমার বলা হয়। ব্রেন টিউমার-এর চিহ্ন এবং উপসর্গের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে যেমন টিউমারের আয়তন, টিউমার আকারে বড় হয়ে ওঠার হার এবং কোনো এলাকায় টিউমারটি হয়েছে সেই অবস্থান। কিছু আদি এবং সাধারণ উপসর্গ হলো মাথাধরার রকমফের, মাঝেমাঝেই এবং অসহ্য মাথা যন্ত্রণা, কথা বলার সমস্যা, এবং ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়া। ব্রেন টিউমার-এর চিকিৎসা নির্ভর করে সেটি কোনো ধরনের টিউমার এবং তার আকার এবং তার অবস্থানের এলাকার ওপর।

ব্রেন টিউমার রোগের প্রাথমিক উপসর্গ বা লক্ষণ-

ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ মাথাব্যথা ও চোখে ঝাপসা দেখা। তবে মাথাব্যথা মানেই ব্রেন টিউমার নয়। সাধারণত মাথাব্যথার ১ শতাংশেরও কম কারণ হলো ব্রেন টিউমার। ব্রেন টিউমারের জন্য যে মাথাব্যথা হয়, তা সাধারণত খুব ভোরে শুরু হয়। সঙ্গে খিঁচুনি হতে পারে। খিঁচুনি সাধারণত হাতে বা পায়ে বা অন্য কোনো স্থান থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই মাথাব্যথা কিছুতেই যেতে চায় না। মস্তিষ্কের ভেতর পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে টিউমার হলে রোগীর দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। রোগী সামনের অংশটুকু ভালো দেখতে পেলেও দুপাশে দেখতে পান না এবং একপর্যায়ে অন্ধ হয়ে যান। ব্রেনের সামনের অংশে বা ফ্রন্টাল লোবে টিউমার হলে রোগীর স্মৃতিশক্তি কমে যায়। তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করেন। দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। মটর এরিয়ায় টিউমার হলে যেদিকে টিউমার তার উল্টো দিকে প্যারালাইসিস হয়ে থাকে। মস্তিষ্কের খুলির নিচের প্রকোষ্ঠে টিউমার হলে রোগী হাঁটতে গেলে পড়ে যান বা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। কানে ঠিকমতো শোনেন না। কথা স্পষ্ট করে বলতে পারেন না। টিউমার বেশি বড় হয়ে গেলে রোগীর হঠাৎ মৃত্যুও হতে পারে।