ঢাকা , সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি Logo ‎ফরিদপুরে গুজব ছড়িয়ে ট্রাক চালককে হত্যা গ্রেফতার ১ Logo রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কাজুবাদাম চাষে মিলেছে সফলতা Logo অটোমেশন সিস্টেমে আধুনিক হচ্ছে ভূমি সেবা কার্যক্রম, কমছে ভোগান্তি ও দালাল Logo ঢাকার জরুরি পানি সরবরাহ জোরদারে ৯২০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার Logo বন্ধ থাকা ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রীর Logo প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় পিএইচডি ফেলোশিপে আবেদন কার্যক্রম শুরু Logo পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে নৌ ও সড়ক খাতে সমন্বয়ের তাগিদ: সেতুমন্ত্রীর Logo বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে স্বস্তির খবর এলো দেশের ফুটবলভক্তদের জন্য Logo ভিন্ন রূপে আবারও পর্দায় আসছে ‘প্ল্যানেট অব দ্য এপস’
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

দেশে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে ম্যালেরিয়া

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে ম্যালেরিয়া। যদিও দেশে দীর্ঘদিন ধরেই নিয়ন্ত্রণে ছিলো ম্যালেরিয়া। কিন্তু অপারেশন প্ল্যান (ওপি) বন্ধ থাকায় কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে ম্যালেরিয়া নির্মূল কার্যক্রমে। তবে গ্লোবাল ফান্ডের সহযোগিতায় কিছু কার্যক্রম চলছে পুরোদমে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বনাঞ্চলভিত্তিক জীবনযাপন, সীমান্তবর্তী চলাচল, পর্যটন বৃদ্ধি এবং গত দেড় বছর ধরে মশার জরিপ না হওয়ায় ম্যালেরিয়া সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে ম্যালেরিয়ার ওষুধ শুধু সরকারিভাবেই বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে ম্যালেরিয়া রোগের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেকটা অন্ধকারে সরকার। প্রতি চার অন্তর একবার জরিপ হওয়ার কথা থাকলেও দেশে দুই বছর কোনো জরিপ করা হয়নি। পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার মৃত্যুগুলোর ডেথ রিভিউ করা হয়নি। বর্তমানে ঢাকা শহরে ম্যালেরিয়ার ভেক্টর অ্যানাফিলিস মশা পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেগুলো ম্যালেরিয়া জীবানুবাহী কিনা তা কেউ জানে না। আর জীবানুবাহী হলে ওই মশা কোথা থেকে এসেছে তা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে ওই মশা কোথাও থেকে এসে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। কিন্তু লোকাল ট্রাসমিশন হলে তা সৃষ্টি করতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি।

 

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বিগত এক দশকে উল্লেযোগ্যভাবে কমেছে ম্যালেরিয়া রোগ ও মৃত্যুহার। কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ, দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং কমিউনিটি পর্যায়ের চিকিৎসার উদ্যোগে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে বড় অগ্রগতি আসে। কিন্তু তারপরও সীমান্তবর্তী চলাচল, পর্যটন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার ঘাটতি এখনো ম্যালেরিয়া দমনে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রমণের সময় পর্যটকরা সতর্ক না থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ম্যালেরিয়া জ্বর হলে দেরি না করে পরীক্ষা করানো জরুরি। বর্তমানে দেশে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করলেও শূন্য সংক্রমণ নিশ্চিতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে এখনো শীর্ষে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এখনো ম্যালেরিয়ার স্থানীয় সংক্রমণ রয়েছে। তার মধ্যে বান্দরবানের ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক। অনেক পর্যটক ও ভ্রমণকারী পার্বত্য অঞ্চল থেকে জ্বর ও অসুস্থতা নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ফিরে আসছে। যা শহরাঞ্চলে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কারণ রোগ নির্ণয়ের দেরির কারণে অনেক ক্ষেত্রে শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চল থেকে ঢাকায় ফেরত আসা কিছু রোগীর মধ্যে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হওয়ায় নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

 

সূত্র আরো জানায়, দেশের ১৩টি জেলায় গত বছর মোট ১০ হাজার ১৬২ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং ১৬ জনের মৃত্যু হয়। বিগত বছরগুলোর তুলনায় যা বেশ উদ্বেগজনক। চলতি বছরেও অব্যাহত রয়েছে সংক্রমণের ওই ধারা। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৪৬০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে বান্দরবান জেলায় ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি রয়েছে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ২৩ জন, যা দেশের মোট রোগীর প্রায় ৫০ শতাংশ। তাছাড়া রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৬১৪ জন, কঙ্বাজার ৮৪৫ জন এবং খাগড়াছড়িতে ৫৩৪ জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগী মিলেছে। ম্যালেরিয়া আক্রান্তের এই পরিসংখ্যান বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে সরকারের দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূলে পরিকল্পনাকে। বিগত ২০১৯ সালে দেশে ১৭ হাজার ২২৫ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলেও ২০২০ ও ২০২১ সালে কভিড মহামারির প্রভাবে ওই সংখ্যা হ্রাস পেয়ে যথাক্রমে ৬ হাজার ১০৪ এবং ৭ হাজার ২৯৪ জনে নেমে এসেছিল। তবে ২০২২ সাল থেকে ফের বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। গত বছর ১৩ হাজার ১০০ জন আক্রান্ত এবং ৯ জনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। ম্যালেরিয়া নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ যখন এগোচ্ছে, তখন ম্যালেরিয়ায় সামপ্রতিক মৃত্যু, পার্বত্য অঞ্চলের ঝুঁকি এবং শহরমুখী সংক্রমণের ইঙ্গিত নতুন করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

 

এদিকে এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দেশে ক্রমে নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে চলে এসেছিল ম্যালেরিয়া। নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজও চলছিল। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সেক্টর কর্মসূচি বাতিল করায় ফের ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটছে এবং বাড়ছে মৃত্যুও। ভালো থাকতে হলে এখনই সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। না হলে পরিস্থিতি হামের মতো হতে পারে। একটি নিয়ন্ত্রিত রোগের ক্ষেত্রে উদাসীন হলে সেটির পুনঃসংক্রমণ স্বাভাবিক। সেজন্যই সরকারের উচিত এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। না হলে কঠিন হয়ে পড়বে ম্যালেরিযার সংক্রমণের বিস্তার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

দেশে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে ম্যালেরিয়া

আপডেট সময় ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

দেশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে ম্যালেরিয়া। যদিও দেশে দীর্ঘদিন ধরেই নিয়ন্ত্রণে ছিলো ম্যালেরিয়া। কিন্তু অপারেশন প্ল্যান (ওপি) বন্ধ থাকায় কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে ম্যালেরিয়া নির্মূল কার্যক্রমে। তবে গ্লোবাল ফান্ডের সহযোগিতায় কিছু কার্যক্রম চলছে পুরোদমে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বনাঞ্চলভিত্তিক জীবনযাপন, সীমান্তবর্তী চলাচল, পর্যটন বৃদ্ধি এবং গত দেড় বছর ধরে মশার জরিপ না হওয়ায় ম্যালেরিয়া সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে ম্যালেরিয়ার ওষুধ শুধু সরকারিভাবেই বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে ম্যালেরিয়া রোগের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেকটা অন্ধকারে সরকার। প্রতি চার অন্তর একবার জরিপ হওয়ার কথা থাকলেও দেশে দুই বছর কোনো জরিপ করা হয়নি। পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার মৃত্যুগুলোর ডেথ রিভিউ করা হয়নি। বর্তমানে ঢাকা শহরে ম্যালেরিয়ার ভেক্টর অ্যানাফিলিস মশা পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেগুলো ম্যালেরিয়া জীবানুবাহী কিনা তা কেউ জানে না। আর জীবানুবাহী হলে ওই মশা কোথা থেকে এসেছে তা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে ওই মশা কোথাও থেকে এসে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। কিন্তু লোকাল ট্রাসমিশন হলে তা সৃষ্টি করতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি।

 

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে বিগত এক দশকে উল্লেযোগ্যভাবে কমেছে ম্যালেরিয়া রোগ ও মৃত্যুহার। কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ, দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং কমিউনিটি পর্যায়ের চিকিৎসার উদ্যোগে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে বড় অগ্রগতি আসে। কিন্তু তারপরও সীমান্তবর্তী চলাচল, পর্যটন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার ঘাটতি এখনো ম্যালেরিয়া দমনে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রমণের সময় পর্যটকরা সতর্ক না থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ম্যালেরিয়া জ্বর হলে দেরি না করে পরীক্ষা করানো জরুরি। বর্তমানে দেশে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করলেও শূন্য সংক্রমণ নিশ্চিতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে এখনো শীর্ষে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এখনো ম্যালেরিয়ার স্থানীয় সংক্রমণ রয়েছে। তার মধ্যে বান্দরবানের ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক। অনেক পর্যটক ও ভ্রমণকারী পার্বত্য অঞ্চল থেকে জ্বর ও অসুস্থতা নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ফিরে আসছে। যা শহরাঞ্চলে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কারণ রোগ নির্ণয়ের দেরির কারণে অনেক ক্ষেত্রে শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চল থেকে ঢাকায় ফেরত আসা কিছু রোগীর মধ্যে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হওয়ায় নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

 

সূত্র আরো জানায়, দেশের ১৩টি জেলায় গত বছর মোট ১০ হাজার ১৬২ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং ১৬ জনের মৃত্যু হয়। বিগত বছরগুলোর তুলনায় যা বেশ উদ্বেগজনক। চলতি বছরেও অব্যাহত রয়েছে সংক্রমণের ওই ধারা। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৪৬০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে বান্দরবান জেলায় ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি রয়েছে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ২৩ জন, যা দেশের মোট রোগীর প্রায় ৫০ শতাংশ। তাছাড়া রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৬১৪ জন, কঙ্বাজার ৮৪৫ জন এবং খাগড়াছড়িতে ৫৩৪ জন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগী মিলেছে। ম্যালেরিয়া আক্রান্তের এই পরিসংখ্যান বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে সরকারের দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূলে পরিকল্পনাকে। বিগত ২০১৯ সালে দেশে ১৭ হাজার ২২৫ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলেও ২০২০ ও ২০২১ সালে কভিড মহামারির প্রভাবে ওই সংখ্যা হ্রাস পেয়ে যথাক্রমে ৬ হাজার ১০৪ এবং ৭ হাজার ২৯৪ জনে নেমে এসেছিল। তবে ২০২২ সাল থেকে ফের বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। গত বছর ১৩ হাজার ১০০ জন আক্রান্ত এবং ৯ জনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। ম্যালেরিয়া নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ যখন এগোচ্ছে, তখন ম্যালেরিয়ায় সামপ্রতিক মৃত্যু, পার্বত্য অঞ্চলের ঝুঁকি এবং শহরমুখী সংক্রমণের ইঙ্গিত নতুন করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

 

এদিকে এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দেশে ক্রমে নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে চলে এসেছিল ম্যালেরিয়া। নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজও চলছিল। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তী সরকার সেক্টর কর্মসূচি বাতিল করায় ফের ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটছে এবং বাড়ছে মৃত্যুও। ভালো থাকতে হলে এখনই সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। না হলে পরিস্থিতি হামের মতো হতে পারে। একটি নিয়ন্ত্রিত রোগের ক্ষেত্রে উদাসীন হলে সেটির পুনঃসংক্রমণ স্বাভাবিক। সেজন্যই সরকারের উচিত এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। না হলে কঠিন হয়ে পড়বে ম্যালেরিযার সংক্রমণের বিস্তার।