ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বকাপে নেইমারকে দেখতে আগ্রহী মেসি, জানালেন হৃদয়ছোঁয়া বার্তা Logo ওয়াকিমুল নামের কলেজ শিক্ষার্থীর উদ্ভাবিত স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo দিনাজপুরে এবার কাঁঠালের উৎপাদন বেড়েছে ব্যাপকভাবে Logo বাজেটের তুলনায় বিশাল আয়, বিশ্বব্যাপী উন্মাদনা ছড়িয়েছে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ Logo মাতুয়াইল হাসপাতালের সামনে আন্দোলন, জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী Logo মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী Logo সারা দেশে দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রাও, অস্থিতিশীল থাকতে পারে Logo মা ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা! Logo এলএনজি, বিদ্যুৎ ও সয়াবিন তেলসহ ১০ প্রস্তাব পাস, খরচ হবে হাজার কোটি টাকা Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ওয়াকফ প্রশাসক
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

দিনাজপুরে এবার কাঁঠালের উৎপাদন বেড়েছে ব্যাপকভাবে

জেলার ১৩টি উপজেলায় এবার অনুকূল আবহাওয়ার ফলে ৮০ হাজার ৬৫০ টন কাঁঠাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা জেলার অর্থনীতে বড় ভূমিকা রাখবে।

দিনাজপুর হর্টিকালচার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. এজামুল হক বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরের মাটি কাঁঠাল চায়ের জন্য উপযোগী হওয়ায় দিন দিন এই উৎপাদন বাড়ছে। এর ফলে চলতি বছর এই জেলায় কাঁঠাল ফলের ব্যাপক ফলন হয়েছে।

ফলে অনুকূল আবহাওয়া ও কাঁঠাল ফল উৎপাদনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ চলমান থাকায় এবার জেলার সবগুলো উপজেলাতেই কাঁঠালের বাম্পার উৎপাদন হয়েছে।

ইতোমধ্যে জেলার ১৩টি উপজেলার ১০৩টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ৯টি পৌরসভায় কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীদের মাধ্যমে কাঁঠাল উৎপাদনের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে আম-লিচুর ক্ষতি হলেও কাঁঠালের কোনো ক্ষতি হয়নি।

মৌসুমের শেষ পর্যন্ত গাছে থাকা কাঁঠাল আহরণ করতে পারলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ফলন অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

জেলার বিরামপুর উপজেলায় ঘাটপাড় গ্রামের মো. আশেকুর রহমান এবং পার্শ্ববর্তী বেপারিটোলা গ্রামের লুৎফর রহমানসহ কয়েকজন জানান, এই এলাকার প্রায় সবার বাড়িতেই কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ফলনও হয়েছে ব্যাপক।

গাছে প্রচুর পরিমাণ কাঁঠাল ধরেছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে কাঁঠাল পাকতে শুরু করবে। তখন নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত কাঁঠাল হাট-বাজারে বিক্রি করতে পারবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামের কাঁঠাল বাগান মালিক সাহেব আলী বলেন, তার বাগানে এবার প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে।

তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন আশা করছেন তিনি।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানান, এই উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা এলাকায় ৫৭৬ হেক্টর জমি ও বসত-বাড়িসহ অন্যান্য স্থানে কাঁঠাল গাছ রয়েছে।

প্রায় গাছে বাম্পার কাঁঠাল ফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার এই উপজেলায় ৮ হাজার ৪৫০ টন কাঁঠাল উৎপাদনের আশা করছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে নেইমারকে দেখতে আগ্রহী মেসি, জানালেন হৃদয়ছোঁয়া বার্তা

দিনাজপুরে এবার কাঁঠালের উৎপাদন বেড়েছে ব্যাপকভাবে

আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে

জেলার ১৩টি উপজেলায় এবার অনুকূল আবহাওয়ার ফলে ৮০ হাজার ৬৫০ টন কাঁঠাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা জেলার অর্থনীতে বড় ভূমিকা রাখবে।

দিনাজপুর হর্টিকালচার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. এজামুল হক বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরের মাটি কাঁঠাল চায়ের জন্য উপযোগী হওয়ায় দিন দিন এই উৎপাদন বাড়ছে। এর ফলে চলতি বছর এই জেলায় কাঁঠাল ফলের ব্যাপক ফলন হয়েছে।

ফলে অনুকূল আবহাওয়া ও কাঁঠাল ফল উৎপাদনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ চলমান থাকায় এবার জেলার সবগুলো উপজেলাতেই কাঁঠালের বাম্পার উৎপাদন হয়েছে।

ইতোমধ্যে জেলার ১৩টি উপজেলার ১০৩টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ৯টি পৌরসভায় কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীদের মাধ্যমে কাঁঠাল উৎপাদনের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে আম-লিচুর ক্ষতি হলেও কাঁঠালের কোনো ক্ষতি হয়নি।

মৌসুমের শেষ পর্যন্ত গাছে থাকা কাঁঠাল আহরণ করতে পারলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ফলন অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

জেলার বিরামপুর উপজেলায় ঘাটপাড় গ্রামের মো. আশেকুর রহমান এবং পার্শ্ববর্তী বেপারিটোলা গ্রামের লুৎফর রহমানসহ কয়েকজন জানান, এই এলাকার প্রায় সবার বাড়িতেই কাঁঠাল গাছ রয়েছে। ফলনও হয়েছে ব্যাপক।

গাছে প্রচুর পরিমাণ কাঁঠাল ধরেছে এবং আগামী কিছুদিনের মধ্যে কাঁঠাল পাকতে শুরু করবে। তখন নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত কাঁঠাল হাট-বাজারে বিক্রি করতে পারবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামের কাঁঠাল বাগান মালিক সাহেব আলী বলেন, তার বাগানে এবার প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে।

তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন আশা করছেন তিনি।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানান, এই উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা এলাকায় ৫৭৬ হেক্টর জমি ও বসত-বাড়িসহ অন্যান্য স্থানে কাঁঠাল গাছ রয়েছে।

প্রায় গাছে বাম্পার কাঁঠাল ফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার এই উপজেলায় ৮ হাজার ৪৫০ টন কাঁঠাল উৎপাদনের আশা করছেন তিনি।