কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গভীর রাতে ট্রাক ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার বাঁশেরতল এলাকায় ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুমড়ে মুচড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে শিশু ছাদিয়া আক্তার (৮), নুরনবী ইসলাম (২৮) এবং মাইক্রোবাসচালক লিমন ইসলাম (২৮)। তারা সবাই ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম ও রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হীল জামান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ চালায়। ক্ষতিগ্রস্ত যান সরিয়ে সড়কে চলাচলও স্বাভাবিক করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে মাইক্রোবাসের সামনের অংশ প্রায় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতাকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র বলছে, মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই পথেই ঘটে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা। ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে বাড়তি যানচাপের মধ্যে এই দুর্ঘটনা নতুন করে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

বৃষ্টির উচ্ছ্বাসে নিজেকে মুক্ত করে দিলেন পরীমণি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 




















