ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঈদে মেট্রোরেলের বিশেষ সময়সূচি, ঈদের দিন বন্ধ থাকবে সেবা Logo ৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ আইপিপির সঙ্গে সরকারের চুক্তি Logo আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দনিয়া ব্রাইট স্কুলে উত্তেজনা, চেয়ারম্যান আহত Logo সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে ডিমের দাম, কার্যকর তদারকি নেই Logo পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলেন আইনমন্ত্রী Logo আজ বিশ্ব চা দিবস Logo জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতির কাজ ৮০ শতাংশ সম্পন্ন Logo কারাবন্দিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের নানামুখী কার্যক্রম Logo নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রায় নৌখাতে সমন্বিত উদ্যোগ Logo ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী মুহিত
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতির কাজ ৮০ শতাংশ সম্পন্ন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ।

ঈদের প্রধান জামাতকে সামনে রেখে মাঠজুড়ে সামিয়ানা, প্যান্ডেল, গেট, অজুখানা, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সার্বিক প্রস্তুতির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিতে দিনরাত কাজ করছেন নির্মাণ শ্রমিকরা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদগাহ প্রস্তুতের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ঈদের আগের দিন সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে তারা আশা করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) সূত্র জানায়, আগের বছরের মতো এবারও তাদের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতির কাজ চলছে। প্যান্ডেল নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিআর এন্টারপ্রাইজ। গত ১ মে থেকে কাজ শুরু হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। নারী ও পুরুষ মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রস্তুতি কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, কিছু কাজ ঈদের আগের দিন সম্পন্ন করতে হয়। সেগুলো ছাড়া আগামী ২৬ মে’র মধ্যে বাকি সব কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ত্রিপল লাগানো, শামিয়ানা টাঙানো, লাইট ও ফ্যান বসানো, অজুখানার কিছু কাজ, কন্ট্রোল রুম, ভিআইপি টয়লেট এবং প্রবেশ ও বহির্গমন গেট নির্মাণের কাজ চলছে। মাঠ ভরাট ও ঘাস কাটার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গেটসহ বিভিন্ন স্থাপনার রংয়ের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী শুক্র ও শনিবারের মধ্যে তা শেষ হবে।

পুরো ঈদগাহ এলাকার সাউন্ড সিস্টেমের কাজ করছে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে ব্যবহারের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, বৃষ্টি হলে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া মশা নিধনে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঈদের জামাতের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে বিশেষ ফগিং ও লার্ভিসাইডিং কার্যক্রম চালানো হবে। ঢাকা ওয়াসা পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

যানজট এড়াতে মৎস্য ভবন, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন মোড় ও শিক্ষা ভবন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হবে। এ বিষয়ে আগেই গণমাধ্যমে ব্রিফিং করা হবে। ভিআইপিদের গাড়ি নির্ধারিত গেট দিয়ে প্রবেশ করে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে পার্কিং করা হবে।

পিআর এন্টারপ্রাইজের মো. মোজাম্মেল বাসস’কে বলেন, ‘বর্তমানে ১২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। স্ট্রাকচারাল কাজ শেষ হয়েছে। এখন কাপড় লাগানো, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং ও ওয়াটারপ্রুফিংয়ের কাজ চলছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগের দিনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’

ডিএসসিসি’র কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে প্যান্ডেলের আয়তন প্রায় ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার। এবার প্রধান জামাতে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এর মধ্যে ২৫০ জন ভিআইপি পুরুষ ও ৮০ জন ভিআইপি নারীর জন্য ব্যবস্থা থাকবে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং সাড়ে ৩ হাজার নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

প্রবেশের জন্য মোট চারটি গেট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, পুরুষদের জন্য দুটি এবং নারীদের জন্য একটি গেট থাকবে। বহির্গমনের জন্য মোট সাতটি গেট থাকবে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, পুরুষদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিএসসিসি আরও জানায়, এবারের ঈদগাহে মোট কাতারের সংখ্যা থাকবে ১২১টি। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য পাঁচটি এবং ভিআইপি নারীদের জন্য একটি কাতার থাকবে। সাধারণ পুরুষদের জন্য ৬৫টি বড় কাতার এবং নারীদের জন্য ৫০টি ছোট কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ১১৩ জন এবং নারী ২৭ জন।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি কাজে বিভিন্ন ধরনের শ্রমিক ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ শামিয়ানা টাঙাচ্ছেন, কেউ ফ্যান বসাচ্ছেন, আবার কেউ মাঠ ভরাটের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

লিটন গাজী নামে এক শ্রমিক বাসস’কে বলেন, ঈদগাহ প্রস্তুতির কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে। শুধু ডেকোরেশনের কাজেই ৬০ থেকে ৬৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

ডিএসসিসি’র সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বাসস’কে বলেন, ঈদুল আজহার প্রধান জামাতকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শামিয়ানা ও বৃষ্টি নিরোধক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা, সিসিটিভি নজরদারি, মাইকিং, ভিভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নারী-পুরুষের জন্য আলাদা সুবিধাসহ সব ধরনের অবকাঠামো নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সমন্বয়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের প্রধান জামাত সম্পন্ন করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে মেট্রোরেলের বিশেষ সময়সূচি, ঈদের দিন বন্ধ থাকবে সেবা

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতির কাজ ৮০ শতাংশ সম্পন্ন

আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ।

ঈদের প্রধান জামাতকে সামনে রেখে মাঠজুড়ে সামিয়ানা, প্যান্ডেল, গেট, অজুখানা, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সার্বিক প্রস্তুতির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিতে দিনরাত কাজ করছেন নির্মাণ শ্রমিকরা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদগাহ প্রস্তুতের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ঈদের আগের দিন সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে তারা আশা করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) সূত্র জানায়, আগের বছরের মতো এবারও তাদের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতির কাজ চলছে। প্যান্ডেল নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিআর এন্টারপ্রাইজ। গত ১ মে থেকে কাজ শুরু হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। নারী ও পুরুষ মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রস্তুতি কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, কিছু কাজ ঈদের আগের দিন সম্পন্ন করতে হয়। সেগুলো ছাড়া আগামী ২৬ মে’র মধ্যে বাকি সব কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ত্রিপল লাগানো, শামিয়ানা টাঙানো, লাইট ও ফ্যান বসানো, অজুখানার কিছু কাজ, কন্ট্রোল রুম, ভিআইপি টয়লেট এবং প্রবেশ ও বহির্গমন গেট নির্মাণের কাজ চলছে। মাঠ ভরাট ও ঘাস কাটার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। গেটসহ বিভিন্ন স্থাপনার রংয়ের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী শুক্র ও শনিবারের মধ্যে তা শেষ হবে।

পুরো ঈদগাহ এলাকার সাউন্ড সিস্টেমের কাজ করছে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে ব্যবহারের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, বৃষ্টি হলে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া মশা নিধনে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঈদের জামাতের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে বিশেষ ফগিং ও লার্ভিসাইডিং কার্যক্রম চালানো হবে। ঢাকা ওয়াসা পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

যানজট এড়াতে মৎস্য ভবন, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন মোড় ও শিক্ষা ভবন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হবে। এ বিষয়ে আগেই গণমাধ্যমে ব্রিফিং করা হবে। ভিআইপিদের গাড়ি নির্ধারিত গেট দিয়ে প্রবেশ করে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে পার্কিং করা হবে।

পিআর এন্টারপ্রাইজের মো. মোজাম্মেল বাসস’কে বলেন, ‘বর্তমানে ১২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। স্ট্রাকচারাল কাজ শেষ হয়েছে। এখন কাপড় লাগানো, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং ও ওয়াটারপ্রুফিংয়ের কাজ চলছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগের দিনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’

ডিএসসিসি’র কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে প্যান্ডেলের আয়তন প্রায় ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার। এবার প্রধান জামাতে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এর মধ্যে ২৫০ জন ভিআইপি পুরুষ ও ৮০ জন ভিআইপি নারীর জন্য ব্যবস্থা থাকবে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং সাড়ে ৩ হাজার নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

প্রবেশের জন্য মোট চারটি গেট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, পুরুষদের জন্য দুটি এবং নারীদের জন্য একটি গেট থাকবে। বহির্গমনের জন্য মোট সাতটি গেট থাকবে। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, পুরুষদের জন্য পাঁচটি এবং নারীদের জন্য একটি গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিএসসিসি আরও জানায়, এবারের ঈদগাহে মোট কাতারের সংখ্যা থাকবে ১২১টি। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য পাঁচটি এবং ভিআইপি নারীদের জন্য একটি কাতার থাকবে। সাধারণ পুরুষদের জন্য ৬৫টি বড় কাতার এবং নারীদের জন্য ৫০টি ছোট কাতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ১১৩ জন এবং নারী ২৭ জন।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি কাজে বিভিন্ন ধরনের শ্রমিক ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ শামিয়ানা টাঙাচ্ছেন, কেউ ফ্যান বসাচ্ছেন, আবার কেউ মাঠ ভরাটের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

লিটন গাজী নামে এক শ্রমিক বাসস’কে বলেন, ঈদগাহ প্রস্তুতির কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে। শুধু ডেকোরেশনের কাজেই ৬০ থেকে ৬৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

ডিএসসিসি’র সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বাসস’কে বলেন, ঈদুল আজহার প্রধান জামাতকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শামিয়ানা ও বৃষ্টি নিরোধক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা, সিসিটিভি নজরদারি, মাইকিং, ভিভিআইপি ব্যবস্থাপনা এবং নারী-পুরুষের জন্য আলাদা সুবিধাসহ সব ধরনের অবকাঠামো নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সমন্বয়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের প্রধান জামাত সম্পন্ন করা যায়।