ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুমিল্লায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার; উত্তেজনায় থানা ঘেরাও, বাস টার্মিনালে অবরোধ Logo সারাদেশের প্রতিটি বিভাগেই হতে পারে বৃষ্টি Logo ঢাকায় আয়োজিত ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী Logo ছাত্রদল কর্মীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় শেখ হাসিনা—ওবাইদুল কাদের সহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল Logo মুক্ত সাংবাদিকতার চেতনায় আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস Logo ডিজেল আমদানিতে ১ লাখ মেট্রিক টনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব Logo শাপলা চত্বরের সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান: হেফাজত ইসলামের Logo এক সপ্তাহের সফরে জাপান পৌঁছালেন জামায়াত: আমির শফিকুর Logo পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: ফখরুল
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: ফখরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার রাজধানীর শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় বললেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপে আমরা অংশ নিয়েছি। কিছু বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, তবুও স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে সবই বাস্তবায়ন করতে হবে, এটা ঠিক নয়। উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ- এই দুই বিষয়েই আমরা একমত হইনি। সব সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের নামে অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে আন্দোলন করছে, এর উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথাটা হলো জুলাই সনদের প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ছিলাম। আমাদের যে স্বাক্ষর করেছেন আমি আর সালাউদ্দিন সাহেব সব স্বাক্ষর করলাম। তার আগে জুলাই সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটাও আমরা একসঙ্গে ড্রাফ দিয়েছি। আমরা তো পরিষ্কার করে বলেছিলাম যে আলোচনার মধ্যে যেগুলোতে আমরা একমত হব না সেগুলোতে আমরা নোট অব ডিসেন্ট দেব। জুলাই সনদের মধ্যে তা আছে। তখনই কিন্তু আমরা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলাম এ বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সে সময়ে সেখানে কতগুলো বিষয় থাকলো যেটা আমরা একমত হইনি। কিন্তু তারা বলে দিল যে এগুলো হবে আর এই নির্বাচনের পরেই যারা নির্বাচিত হবেন, তারা আপনার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবেন। আমরা এটার সঙ্গে একমত একেবারেই করিনি। কারণ এটার কোনো নজির নেই। আমরা বলেছিলাম নির্বাচন হবে, নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ গঠন করবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। যা যা পরিবর্তন আনার বা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে তারাই সেটা করবে। তো সেই সব বিষয় নিয়ে এখন একেবারেই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার; উত্তেজনায় থানা ঘেরাও, বাস টার্মিনালে অবরোধ

পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: ফখরুল

আপডেট সময় ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার রাজধানীর শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় বললেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপে আমরা অংশ নিয়েছি। কিছু বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, তবুও স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে সবই বাস্তবায়ন করতে হবে, এটা ঠিক নয়। উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ- এই দুই বিষয়েই আমরা একমত হইনি। সব সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের নামে অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে আন্দোলন করছে, এর উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথাটা হলো জুলাই সনদের প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ছিলাম। আমাদের যে স্বাক্ষর করেছেন আমি আর সালাউদ্দিন সাহেব সব স্বাক্ষর করলাম। তার আগে জুলাই সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটাও আমরা একসঙ্গে ড্রাফ দিয়েছি। আমরা তো পরিষ্কার করে বলেছিলাম যে আলোচনার মধ্যে যেগুলোতে আমরা একমত হব না সেগুলোতে আমরা নোট অব ডিসেন্ট দেব। জুলাই সনদের মধ্যে তা আছে। তখনই কিন্তু আমরা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলাম এ বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সে সময়ে সেখানে কতগুলো বিষয় থাকলো যেটা আমরা একমত হইনি। কিন্তু তারা বলে দিল যে এগুলো হবে আর এই নির্বাচনের পরেই যারা নির্বাচিত হবেন, তারা আপনার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবেন। আমরা এটার সঙ্গে একমত একেবারেই করিনি। কারণ এটার কোনো নজির নেই। আমরা বলেছিলাম নির্বাচন হবে, নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ গঠন করবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। যা যা পরিবর্তন আনার বা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে তারাই সেটা করবে। তো সেই সব বিষয় নিয়ে এখন একেবারেই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।