ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মুলতবি ৬৮ হাজার এনআইডি আবেদন দ্রুত শেষ করতে ইসির নির্দেশ Logo কুমিল্লায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার; উত্তেজনায় থানা ঘেরাও, বাস টার্মিনালে অবরোধ Logo সারাদেশের প্রতিটি বিভাগেই হতে পারে বৃষ্টি Logo ঢাকায় আয়োজিত ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী Logo ছাত্রদল কর্মীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় শেখ হাসিনা—ওবাইদুল কাদের সহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল Logo মুক্ত সাংবাদিকতার চেতনায় আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস Logo ডিজেল আমদানিতে ১ লাখ মেট্রিক টনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব Logo শাপলা চত্বরের সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান: হেফাজত ইসলামের Logo এক সপ্তাহের সফরে জাপান পৌঁছালেন জামায়াত: আমির শফিকুর
নোটিশ :
বাংলা 21 সংবাদ পত্রিকার সাথে যুক্ত হয়ে আপনিও আপনার মতামত, পরামর্শ অথবা অভিযোগ আমাদের জানাতে পারেন।

জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব

কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, “ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব। জামিনে থাকা সন্ত্রাসীরা পুনরায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত র‌্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে র‌্যাব কাজ শুরু করেছে। খুনিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের সামনের রাস্তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা মাস্ক ও ক্যাপ পরিহিত দুই ঘাতক অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব।

‘খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তিনি অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি মোহাম্মদপুর অঞ্চলের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা দীর্ঘদিনের পুরনো শত্রুর জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে’-উল্লেখ করেন তিনি।

এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে র‌্যাব। তারই অংশ হিসেবে ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পোশাক এবং থানা থেকে লুণ্ঠিত হ্যান্ডকাফ, বিদেশি পিস্তল ও র‌্যাবের কটি ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু ও জননিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীতে টহল এবং তল্লাশি কার্যক্রম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

‘টিটন হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা রুখতে বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে’-যোগ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মুলতবি ৬৮ হাজার এনআইডি আবেদন দ্রুত শেষ করতে ইসির নির্দেশ

জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব

আপডেট সময় ২১ ঘন্টা আগে

কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, “ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব। জামিনে থাকা সন্ত্রাসীরা পুনরায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত র‌্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে র‌্যাব কাজ শুরু করেছে। খুনিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের সামনের রাস্তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা মাস্ক ও ক্যাপ পরিহিত দুই ঘাতক অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব।

‘খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তিনি অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি মোহাম্মদপুর অঞ্চলের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা দীর্ঘদিনের পুরনো শত্রুর জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে’-উল্লেখ করেন তিনি।

এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে র‌্যাব। তারই অংশ হিসেবে ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পোশাক এবং থানা থেকে লুণ্ঠিত হ্যান্ডকাফ, বিদেশি পিস্তল ও র‌্যাবের কটি ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু ও জননিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীতে টহল এবং তল্লাশি কার্যক্রম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

‘টিটন হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা রুখতে বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে’-যোগ করেন তিনি।